গলব্লাডার পাথর : কিভাবে অপারেশন ছাড়া গলব্লাডার স্টোন অপসারণ করা যায়

গলব্লাডার পাথর : বর্তমান সময়ে চিকিৎসা বিজ্ঞান বা স্বাস্থ্যবিজ্ঞানে একটি বড় সমস্যা বা চিকিৎসা এসে দাঁড়িয়েছে তা হল গলব্লাডারে পাথর এই গলব্লাডারে পাথরের জন্য বিশ্বে প্রতিবছর কয়েক মিলিয়ন রোগী ভুক্তভোগী হয় এর পাশাপাশি প্রাথমিকভাবে ধার ণা পড়ার জন্য অনেক রোগী মারা যায়।

প্রাথমিকভাবে কোন ব্যক্তির যদি গলব্লাডারে পাথর বা স্টোন হয় তবে ধারণা থাকে কিভাবে এই পাথর থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে আর এর প্রাথমিক মুক্তির উপায় অপারেশন করা ছাড়া অন্য কোন পথ নেই।

অনেকে আছে যারা এই পথটি বেশেরা নিয়ে কোনরকম অপারেশন ছাড়াই ওষুধের মাধ্যমে বা এমন কোন পদ্ধতির মাধ্যমে গলব্লাডারের পাথরকে বের করতে চাই। আদতে সেটা কি সম্ভব বা কিভাবে সম্ভব, আজ আমরা সেটাই এখানে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করলাম। প্রথমেই আমরা দেখে নেব আসলে গলব্লাডার কি 

 

গলব্লাডার কি ?

মানুষের দেহ কমবেশি কয়েক শত ছোট ছোট অঙ্গানু নিয়ে গঠিত এর মধ্যে কতগুলি বাইরের এবং কতগুলি অভ্যন্তরের এই অভ্যন্তরের যতগুলি অঙ্গাণু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তার মধ্যে একটি হলো গলব্লাডার

আয়তনে অনেক ছোট এই অঙ্গাণুটি আমাদের প্রয়োজন এর সঙ্গী হিসেবে কাজ করে থাকে যেমন আমরা যখন কোন খাবার খাই তখন আমাদের নারী বা অন্তরে পচানোর জন্য অনেকগুলি উৎসেচকের প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে একটি হল বাইল বা পিত্তরস।

গলব্লাডার স্টোন, গলব্লাডার স্টোন অপারেশনের পর কি খাওয়া উচিত, গলব্লাডার অপারেশন কি, গলব্লাডার স্টোনের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা, গলব্লাডার কি, গলব্লাডার স্টোন লক্ষণ না থাকলে কি হয়, গলব্লাডার স্টোনের ঘরোয়া চিকিৎসা, গলব্লাডারে পাথর, গলব্লাডারে পাথর হলে কি খেলে ভালো হবে?, গলব্লেটরে পাথর কেন হয়, গলব্লাডারে পাথরের লক্ষণ, গলব্লাডারে পাথর অপারেশন ছাড়া চিকিৎসা, গলব্লাডারে পাথর অপারেশন খরচ, গলব্লাডারের পাথর হলে কি কি সমস্যা হয়, গলব্লাডারে পাথর হোমিওপ্যাথি, গলব্লাডারে পাথর অপারেশন, পাথর হলে কি করা উচিত।

এই বাইল বা পিত্তরস যে থলির মধ্যে জমা থাকে তার নাম গলব্লাডার বা পিত্তথলি। এই পিত্তথলি থেকে পিত্তরস প্রয়োজন অনুসারে আমাদের খাবারের সাথে মিশে সে খাবারকে হজম করতে সাহায্য করে কখনো কখনো শারীরিক ভারসাম্যতা হ্রাসের জন্য এই পিত্তথলির ভিতরে পাথর তৈরি হয়। কিন্তু কেন পিত্তথলির ভিতরে পাথর তৈরি হয়

 

কেন পিত্তথলিতে পাথর তৈরি হয়

পিত্তথলিতে পাথর তৈরি হওয়া ব্যাপারটি খুব কঠিন কোন বিষয় নয় তবে এই পাথর তৈরি হয় দুটি কারনে। আবার বলতে পারি এই পাথর দু রকমের হয়। এই দু’রকম ভাবে তৈরি হওয়া পাথরই আসলে পিত্তথলিতে তৈরি হয় যার ফলে মানুষের অপারেশন পর্যন্ত করতে হয়।

আমাদের যকৃত বা লিভার প্রয়োজন অনুসারে খাবার হজম করার জন্য এক ধরনের উৎসেচক মিশ্রিত করে এই উৎসেচক পিত্তথলিতে পিত্তরস রূপে জমা থাকে এবং প্রয়োজনমতো সেই পিতার খাবারে মেশে যদি কোন কারণে যকৃত বা লিভার থেকে নির্গত হওয়া কোলেস্টেরলের মাত্রা অত্যাধিক হয় তখন এই কোলেস্ট্রল গলব্লাডার বা পিত্তথলির মধ্যে প্রবেশ করে পাথরে পরিণত হয়।

দ্বিতীয়তঃ যদি আমাদের লিভার বা যকৃত বেশি মাত্রায় বিলিরুবিন ত্যাগ করে তখন এই বিলিরুবিন পিত্তথলিতে সঞ্চিত হয়ে পাথর সৃষ্টি করে পিত্তথলিতে পাথর তৈরি হওয়ার এই দুই রকম সিস্টেমের উপর নির্ভর করে দুটি নাম দেয়া হয়েছে

 

পিত্তথলিতে পাথরের প্রকারভেদ –

পিত্তথলিতে সাধারণত দুইভাবে পাথর তৈরি হয় এক অতিরিক্ত মাত্রার কোলেস্টেরল জমা হয়ে পাথর তৈরি হয়, দ্বিতীয়ত অতিরিক্ত মাত্রার বিলিরুবিন সিক্রিয়েশন এর ফলে এই পাথর তৈরি হয়।

কোলেস্টেরল স্টোন

পিত্তথলিতে তৈরি হওয়া এই ধরনের স্টোন বা পাথর সাধারণত রক্তের উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল থাকলে বা লিভার বা যকৃত যদি অতিরিক্ত মাত্রায় কোলেস্টেরল শীক্রিয়েশন করে তবে এই পাথর তৈরি হয় এই পাথরের রং কিছুটা হলদে প্রকৃতির হয়ে থাকে।

পিগমেন্ট স্টোন –

পিত্তথলিতে তৈরি হওয়া দ্বিতীয় প্রকার পাথরের নাম পিগমেন্ট টোন এটি সাধারণত যকৃত থেকে উচ্চ মাত্রায় নির্গত হওয়া বিলিরুবিনের কারণে সৃষ্টি হয় এই পাথরগুলির রং কিছুটা সাদা এবং কালচে মিশ্রিত রঙের হয়ে থাকে।

 

পিত্তথলিতে তৈরি হওয়া পাথরের আকার

পিত্তথলিতে যে সকল পাথরগুলি তৈরি হয় তারা আকার বিভিন্ন রকম হতে পারে বলা যায় একলা বালির মতো আবার কখনো একটি পেন্সিল ব্যাটারির সমানও পাথর হতে পারে।

তবে একাধিক ক্ষেত্রে যেগুলি বেশিরভাগ সময় দেখা গেছে তা হলো যদি বালি বা সরষে দানার মত পাথর তৈরি হয় তবে সেগুলি একাধিক এবং সংখ্যায় বহু হয়ে থাকে।

আর যদি পিত্তথলিরাই পাথরগুলি একটি হয় এবং সেটি আকারের বড় হয় তবে তার আকার ১ ইঞ্চি দেড় ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। এই পাথর গুলির বাইরের দিকটা মসৃণ হয় না বরং খানিকটা ধারালো প্রকৃতির হয়ে থাকে।

 

পিত্তথলিতে পাথর হলে কি কি সমস্যা হয় ?

পিত্তথলিতে সৃষ্টি হওয়া পাথর গলি মূলত খুব স্থিতিশীল এবং নিস্তেজ হয়ে থাকে যার ফলে এর প্রাথমিক কোনো সমস্যা থাকে না কিন্তু যখনই এর আকার অনেকটা বেশি এবং এটি পিত্তথলির মধ্যে চলাচল করতে শুরু করে তখনই এর সমস্যা সৃষ্টি হয়।

প্রথমত পিত্তথলিতে পাথর হলে পেট এবং বুকের সংযুক্ত ডান দিক বরাবর প্রচন্ড ব্যথা সৃষ্টি হয়।

দ্বিতীয়তঃ পিঠের পিছন দিক ব্যথা সৃষ্টি হয়।

তৃতীয়ত প্রচন্ড পেট ব্যথা সাথে বমি বমি ভাব এমনকি প্রচন্ড পরিমাণে বমি হওয়ার প্রবণতা শুরু হয়।

চতুর্থ প্রচন্ড বমি হওয়ার প্রবণতা হলেও তেমন কিছু বমি সঙ্গে নির্গত হয় না।

কোন রোগীর যদি গলব্লাডারে স্টোন বা পাথর সৃষ্টি হয় তবে এত কঠিন ব্যথা শুরু হয় যে হসপিটাল এ ভর্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ব্যাথার থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব হয় না

সামান্য ট্রিটমেন্ট হওয়ার পরপরই এই ব্যথা কমে যায় প্রাথমিকভাবে রোগী তখন মনে করে হয়তো সাধারণ কোনো কারণে তার পেট ব্যথা হয়েছিল কিন্তু কয়েকদিন পর আবার একই রকম ভাবে ভীষণ পেট ব্যথা এবং বমি শুরু হতে পারে

 

গলব্লাডারে পাথর হলে কিভাবে বুঝবো

এর আগেই যে বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করলাম সেই সূত্র ধরেই বলা যাবে যে গলব্লাডারের যদি কখনো পাথর সৃষ্টি হয় তবে প্রথম থেকেই তা ব্যথা সৃষ্টি করে না এটি চুপচাপ অবস্তায় তৈরি হয় এই কারণে গল ব্লাডারের পাথর হয়েছে কিনা তা বোঝা খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার।

তবে যদি হঠাৎ করে পেটের ডান দিক বরাবর খিল লাগা ব্যথার মত কিছু সৃষ্টি হয় এবং সাথে বমি ভাব শুরু হয় তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা গেছে তা গলব্লাডারের পাথরের ফলে সৃষ্টি হয়।

যদি গলব্লাডারে পাথর সৃষ্টি হয় তবে বমি হওয়ার প্রবণতা দেখা যায় কিন্তু বমিতে তেমন কিছু আসে না শুধু পিত্তরস নির্গত হতে দেখা যায়। সাথী পেটব্যথা।

কখনো কখনো রাতে ভারী খাবার খাওয়ার পর হঠাৎ করে পেটে এই যন্ত্রনা শুরু হয় এবং তীব্রতর যন্ত্রণা হয়।

 

গলব্লাডারের পাথরের চিকিৎসা

বর্তমানে আধুনিক যুগে গলব্লাডার তেমন কোন কঠিন চিকিৎসার বিষয় নয়। বিভিন্নভাবে গলব্লাডারের চিকিৎসা বর্তমানে পাওয়া যায় তবে নির্ভর করে গলব্লেটরের চিকিৎসা যে গলব্লাডারের পাথরটি কোন অবস্থায় এবং কতখানি বড় হয়েছে তার ওপর নির্ভর করে।

যদি গল্ড ব্লাডারের পাথরটি এক সেন্টিমিটারের বেশি বড় হয়ে থাকে তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ডাক্তারবাবুরা পরামর্শ দেয় যে এটিকে অপারেশন করে নেওয়ার জন্য যদি দেখা যায় গলব্লাডারের পাথরটি এক সেন্টিমিটারের কম এবং পাথরটির প্রকৃতি অনেকটা নরম তখন ডাক্তার বাবুরা বিভিন্ন রকম খাবার প্রদানের মাধ্যমে চিকিৎসা করিয়ে থাকেন এখানে গলব্লেডরের দুই রকম চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করা হলো –

 

গলব্লাডার পাথরের অপারেশন

আমি ব্যক্তিগতভাবে ২০০৭ সাল থেকে এই গলব্লাডারের রোগী সম্পর্কে ধারণা নিয়েছি তখনই ল্যাপরোস্কপি নামে এক ধরনের অপারেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে গলব্লাডার কে পেট সম্পূর্ণ না কেটে অপারেশন করা সম্ভব হয়। 

এটি আধুনিক এবং বলা যেতে পারে অত্যাধুনিক একটি পদ্ধতি। এছাড়া গলব্লাডারের অপারেশন ওপেন সার্জারি বা পেট কেটেও করা সম্ভব হয় তবে সে ক্ষেত্রে দেখার বিষয় রোগীর অবস্থা রোগীর বয়স এবং রোগীর শক্তি সমর্থক কতটা আছে তারপর নির্ভর করে গলব্লাডারের অপারেশন কিভাবে হবে তা ডাক্তারবাবু নির্ণয় করেন।

 

অপারেশন ছাড়া কিভাবে গলব্লাডারের পাথর বের করা যায় ?

প্রথমেই বলব গলব্লাডার একটি জটিল সিস্টেম যেটি লিভারের নিচে বলা যেতে পারে লিভারের সঙ্গে যুক্ত অবস্থায় এই গল ব্লাডারটি অবস্থান করে একটি ছোট্ট থলি কিন্তু তার মুখটি এত সরু একটি নারী দ্বারা যুক্ত থাকে যা দিয়ে এই পাথর বেড়িয়ে আসা অসম্ভব।

সুতরাং আশা করি বুঝতে পারছেন যে গলব্লাডারের পাথর হলে তাকে বিনা অপারেশনে বের করে আনা কতখানি অসম্ভব ব্যাপার তবুও সেই পাথর যদি আকারে ছোট এবং নরম প্রকৃতির হয় তবে অনেক ক্ষেত্রে কিছু খাবারের উপর নির্ভর করে এবং কিছু ওষুধের উপর নির্ভর করে এই পাথরকে বের করে আনা সম্ভব তবে তার সম্ভাবনা থাকে খুবই কম ফাইভ পার্সেন্ট এরকম। এবার দেখে নেব কি কি খাবার খেলে গলব্লাডারের পাথর বেরিয়ে আসতে পারে

 

কি খেলে গলব্লাডারের পাথর ভালো হবে ?

এখানে কি খেলে গলব্লাডারের পাথর ভালো হয় তার কয়েকটি তালিকা দেয়া হলো সাথে সাথে কয়েকটি করণীয় কিছু পরামর্শ দেয়া হলো যেগুলো করে আপনি অবশ্যই প্রাথমিকভাবে এর চিকিৎসা করতে পারেন তবে এটি সর্বোত্তম সমাধান নয়।

অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার – আশা করি এই নামটি কমবেশি শুনে থাকবেন গলব্লাডার থেকে পাথর বের করতে গেলে অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার ভীষণ কার্যকর আপনাকে এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে এই অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খেতে হবে আর অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লিভারের সাথে সাথে ব্লাড সুগার কেউ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

অ্যাপেল জুস – নিয়মিত অ্যাপেল জুস পান করলে গলব্লাডারে তৈরি হওয়া ছোট আকারের স্টোনগুলি গলে যেতে সক্ষম এবং সেটি নরম হয়ে যায় যার ফলে গলব্লাডারের স্টোনগুলি গলব্লাডারের নালিপথ দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে।

যোগাসন – যোগাসন এমন একটি করণীয় বিষয় যা আপনার শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সুস্থ ও সবল রাখতে সক্ষম।

খাদ্যাভাস – যদি এরকম কিছু আপনি অনুভব করে থাকেন তবে প্রথমে আপনার খাদ্যাভাস কে পরিবর্তন করুন বেশি সময় খালি পেটে না থাকা ভালো আর আপনার খাদ্য তালিকা থেকে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবারগুলিকে ত্যাগ করুন। কারণ এর ফলেই পিত্যাশয়ে পাথর তৈরি হয়।

 

গলব্লাডারে পাথর কাদের বেশি হয় ?

অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে গলব্লাডারে পাথর কাদের বেশি হতে পারে এর উত্তর অনেক রকম হবে কারণ এটি অনেক কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে-

প্রথমত যাদের বংশগতভাবে দেখা গেছে গলব্লাডারে সমস্যা হতে তাদের মধ্যে গলব্লাডার স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।।

দ্বিতীয়তঃ যে সকল মানুষের খাদ্যাভাস ভালো নয় বেশি হাই প্রোটিন বা হাই কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার দ্বারা গ্রহণ করে তাদের পৃথক পাথর হওয়ার প্রবণতা সবথেকে বেশি

পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের মধ্যে পিত্তথলির পাথর দেখা যায় বেশি এছাড়া যারা একটু স্থুল বা মোটা যাদের উচ্চ কোলেস্টেরল আছে তাদের মধ্যে পিত্তথলির পাথর হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।।

যারা দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকে তাদের মধ্যে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।

 

কি করলে পিত্তথলিতে পাথর হবে না ?

খুব ভালো প্রশ্ন কিন্তু এর উত্তর খুব কঠিন কারণ ঠিক নির্দিষ্ট কোন কাজটি করলে পিত্তথলিতে পাথর সৃষ্টি হবে না এটি বলা খুব দুষ্কর। তবে এর সরল কিছু সমাধান আছে তা হলো সঠিক জীবন যাপন করা পরিমিত জল খাওয়া এবং উচ্চ প্রোটিন এবং কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার কে পরিহার করা।

বেশি পরিমাণে শাকসবজি যুক্ত খাবার বেশিক্ষণ পেট খালি না রাখা উচিত। তবে এক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করা যেতে পারে যে আপনার এই ঝুঁকি আছে কিনা এই রক্ত পরীক্ষা গুলো হল লিপিড প্রোফাইল টেস্ট এবং রক্তের বিলিরুবিন টেস্ট।

একটি সুস্থ স্বাভাবিক জীবন পেতে অবশ্যই তার লাইফ স্টাইল পরিবর্তন করা উচিত সাথে সাথে শরীরের জন্য উপকারী যে সকল খাবার সেগুলিকে বেশি মাত্রায় গ্রহণ করা উচিত। অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার গুলোকে ত্যাগ করা উচিত।।

 

গলব্লাডারে পাথর সম্পর্কিত কয়েকটি বিষয় :

প্রথমত যদি নির্ণয় হয়ে থাকে যে আপনার গলব্লাডারে স্টোন বা পাথর হয়েছে তবে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া উচিত হবে না কারণ বর্তমান যুগে এটি তেমন কোন ব্যাপার নয় যেকোনো ভাবে এর থেকে নিরাময় পাওয়া সম্ভব তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপারেশন করে নেওয়া যুক্তিযুক্ত।

অনেক ব্যক্তি আছে যারা অপারেশন থেকে ভয় পায় তাদের জন্য বলব বর্তমান আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় অপারেশন তেমন কোনো ভয়ের বিষয় নয় খুব সহজসাধ্য এবং সরল ভাবেই এই অপারেশন করা হয়ে থাকে আর অপারেশন করার পর ৯০ শতাংশ রোগী সুস্থ এবং সফলভাবে দিন যাপন করে।

 

গলব্লাডার স্টোন, গলব্লাডার স্টোন অপারেশনের পর কি খাওয়া উচিত, গলব্লাডার অপারেশন কি, গলব্লাডার স্টোনের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা, গলব্লাডার কি, গলব্লাডার স্টোন লক্ষণ না থাকলে কি হয়, গলব্লাডার স্টোনের ঘরোয়া চিকিৎসা, গলব্লাডারে পাথর, গলব্লাডারে পাথর হলে কি খেলে ভালো হবে?, গলব্লেটরে পাথর কেন হয়, গলব্লাডারে পাথরের লক্ষণ, গলব্লাডারে পাথর অপারেশন ছাড়া চিকিৎসা, গলব্লাডারে পাথর অপারেশন খরচ, গলব্লাডারের পাথর হলে কি কি সমস্যা হয়, গলব্লাডারে পাথর হোমিওপ্যাথি, গলব্লাডারে পাথর অপারেশন, পাথর হলে কি করা উচিত।

এই পোস্টটি থেকে গলব্লাডার পাথর সম্পর্কে যা যা জানলেন। কিভাবে অপারেশন ছাড়া গলব্লাডার পাথর অপসারণ করতে

গলব্লাডার স্টোন, গলব্লাডার স্টোন অপারেশনের পর কি খাওয়া উচিত, গলব্লাডার অপারেশন কি, গলব্লাডার স্টোনের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা, গলব্লাডার কি, গলব্লাডার স্টোন লক্ষণ না থাকলে কি হয়, গলব্লাডার স্টোনের ঘরোয়া চিকিৎসা, গলব্লাডারে পাথর, গলব্লাডারে পাথর হলে কি খেলে ভালো হবে?, গলব্লেটরে পাথর কেন হয়, গলব্লাডারে পাথরের লক্ষণ, গলব্লাডারে পাথর অপারেশন ছাড়া চিকিৎসা, গলব্লাডারে পাথর অপারেশন খরচ, গলব্লাডারের পাথর হলে কি কি সমস্যা হয়, গলব্লাডারে পাথর হোমিওপ্যাথি, গলব্লাডারে পাথর অপারেশন, পাথর হলে কি করা উচিত।

 

গলব্লাডার পাথর গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর গলব্লাডার পাথর গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর গলব্লাডার পাথর গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর গলব্লাডার পাথর  গলব্লাডার পাথর 

Leave a Comment