গুগল কিভাবে কাজ করে ? একবারে এত তথ্য কি করে Google আমাদেরকে দেখায়। - Kivabe.in

    আমরা যখন ইন্টারনেটে কিছু খোঁজার চেষ্টা করি তখন প্রথমে যার কথা মনে আসে তাহলে গুগোল। কোন নতুন বিষয় কে খুঁজতে বা তার সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে আমরা গুগোল কে সবচেয়ে বেশি ভরসা যোগ্য বলে মনে করে থাকি। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি গুগোল কি করে এই কাজ করে থাকে। বা গুগল কিভাবে এত সহজে এবং তাড়াতাড়ি আমাদের সামনে এতগুলো তথ্য এনে হাজির করে।

   যদি আপনার মাথায় কোনো দিন এই প্রশ্ন এসে থাকে তবে আজ আপনি তার উত্তর পেয়ে যাবেন। যদি না এসে থাকে মনে করি এতক্ষণ আপনার মাথায় এই প্রশ্নটা ঘোরা শুরু করেছে যে সত্যিই কিভাবে গুগল কাজ করে How Work Google?। আর কীভাবেই বা এত তথ্য আমাদেরকে সঙ্গে সঙ্গে দেখাতে পারে। 


গুগল কিভাবে কাজ করে ?
Kivabe.in/Google

   গুগল কিভাবে কাজ করে তা জানতে গেলে আমাদের পরপর অনেকগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে হবে বা সেই বিষয়গুলিকে বুঝতে হবে তবেই আমরা গুগোল এর কাজ করার বিষয় গুলি ভালোভাবে বুঝতে পারব। চলুন তার আগে দেখেনি যে আসলে এতক্ষণ আমরা যে গুগোল গুগোল করছি সেই গুগোল আসলে কি ( What Is Google ?)

Read More



গুগোল কি ( What Is Google ) ? 

   আমি জানিনা গুগোল কে, আপনি কোন চোখে দেখেন কিন্তু গুগোল আসলে একটি মিডিয়া পার্টনার যা অন্যের খবরকে আপনার কাছে আর আপনার প্রশ্নকে অন্যের কাছ পর্যন্ত নিয়ে যেতে সাহায্য করে। এবং একসময় দুই প্রান্তের আমি ও যা জানতে চাই সেই তথ্য দুটোকে মিলিয়ে দেয় তাই অবশ্যই আমি গুগলকে একটি মিডিয়া হিসাবে মনে করি।

   কিন্তু এটাতে আমাদের প্রশ্নের যথাযথ উত্তর পাবো না কারন প্রযুক্তিগত ভাষায় বা টেকনিক্যাল দিক থেকে গুগোল হলো একটি সার্চ ইঞ্জিন। সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি ইঞ্জিন যেখানে আমরা কিছু সার্চ করি সঙ্গে সঙ্গে সেই ইঞ্জিনটি আমাদের হয়ে কোন কিছু সার্চ করতে থাকে। গুগোল এই কাজটি করে আমাদের বিভিন্ন তথ্য কে তার কাছে দিলে সঙ্গে সঙ্গে সে খোজ শুরু করে।

   কিন্তু সেই তথ্যগুলিকে সে কোথায় খোজ করে ? কোথায় থাকে সেই তথ্য কিভাবে শে তথ্যগুলোকে আমাদের সামনে নিয়ে আসে এই বিষয়গুলো জানলে গুগোল কি তা আরো ভালোভাবে পরিষ্কার হয়ে যাবে। তবুও মোটামুটি মনে করি গুগল কি সে বিষয়ে কিছুটা ধারণা পেলেন। এবার চলুন আমরা আমাদের আসল বিষয়টি জেনে নেবো যে গুগল কিভাবে কাজ করে ? 


গুগল কিভাবে কাজ করে ( How Work Google ) ?

   আমাদের যখনই কোন বিষয় প্রয়োজন হয় সঙ্গে সঙ্গে আমরা গুগলের কাছে চলে যাই ও সেই বিষয়টি লিখে কখনো বা মুখে বলে সার্চ করে থাকি এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই গুগোল আমাদের কাছে বিভিন্ন বিষয়গুলি কে তুলে ধরে যা আমাদের সার্চ করা বিষয় গুলির সঙ্গে সম্পর্কিত। 

   ধরুন আমি গুগলের কাছে বা ইন্টারনেটে জানতে চাইলাম কিভাবে বাড়ি বানাতে হয় ? এই বিষয়টি সার্চ করার কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই গুগোল কয়েকশো এমনকি কয়েক লাখ পর্যন্ত পেজ আমাদের সামনে নিয়ে এসে হাজির করে। তার কয়েকটি কে আমরা পছন্দমত খুলে তা থেকে বিভিন্ন তথ্য পড়ে বা দেখে আমাদের জানার বিষয়টিকে জেনে নেই। 

   কিন্তু গুগোল কোথা থেকে এই তথ্যগুলো এনে দেয়, বা কি ভাবে এই সকল তথ্যগুলো সে খুঁজে পাই, কোথায় থাকে ? এই বিষয়গুলি আমাদের জানা প্রয়োজন যদি আমাদের ইচ্ছা থাকে যে গুগল কিভাবে কাজ করে এই প্রশ্নের উত্তর পেতে। গুগোল সাধারণত তিনটি পদ্ধতির মাধ্যমে এই কাজগুলো করে থাকে আমরা এই পদ্ধতি গুলি সম্পর্কে একটু বোঝার চেষ্টা করব।


গুগোল ক্রলিং ( Google Crowling ) 

    আশা করি এই নামটি আপনি আগে কোনদিনও শোনেননি কিন্তু গুগোল যেভাবে কাজ করে তার প্রথম ধাপ হলো এটি। আপনি এই আর্টিকেলটি পড়ছেন সুতরাং আপনি কিন্তু আমার এই কিভাবে ডট ইন ওয়েব সাইট এর উপর এসে এই আর্টিকেলটি পড়ছেন। এরকম হাজার হাজার লাখ লাখ ওয়েবসাইটের সঙ্গে গুগলের সম্পর্ক আছে। এখন এই সম্পর্ক থাকার কারণে আমার ওয়েব সাইটটি আপনার কাছে উপস্থিত হয়েছে।

গুগোল ক্রলিং ( Google Crowling )
Kivabe.in/Google-Crowling


   কিন্তু এটি কিভাবে হয় ? এই কাজটি যেভাবে হয় তা হলো গুগোল ক্রলিং। আমি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছি বা আপনিও একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন এখন এই ওয়েবসাইট সম্পর্কে গুগলের কাছে আমাদেরকে জানাতে হবে যে আমি এই নামে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছি। একটা নির্দিষ্ট জায়গা গুগোল আমাদেরকে দিয়ে থাকে যেখানে গিয়ে আমাদের জানাতে হয় যে আমি এই নামের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছি।

   জানানোর পর গুগোল সেটিকে নিজের ডাইরেক্টরি বা ডিকশনারির মত জায়গাতে তুলে রাখে। আর নির্দিষ্ট সময় মতো গুগল তাদের রোবট দিয়ে আমাদের ওই ওয়েবসাইটটিতে এসে ভিজিট করে। গুগোল যে রোবট দিয়ে এসকল ওয়েবসাইটগুলির উপর ভিজিট করে তার নাম Google বট। গুগলের এই বট গুলি অত্যাধুনিক মানের হয়ে থাকে যার ফলে বিভিন্ন রকম দিক থেকে আমাদের ওয়েবসাইট গুলিকে এবং সেই ওয়েবসাইটের সকল পেজগুলি কে নিজে পরীক্ষা করে দেখে।

   সেই ওয়েবসাইট এর ভিতরে সমস্ত অক্ষরগুলি পর্যন্ত গুগোল ধারণা নিয়ে নিজের কাছে রেখে দেয়। এই যে গুগলের সিস্টেম অর্থাৎ আমাদের ওয়েবসাইটে ঢুকে প্রত্যেকটি পোস্ট ও বিভিন্ন আর্টিকেল গুলির মধ্যে বিভিন্ন বিষয় সে পড়ে ফেলে এবং নিজের কাছে রেখে দেয় এই ঘটনাকে বলা হয় ক্রলিং। 

   আশা করি ক্রলিং বিষয়টি পরিস্কার হলো। কেন ক্রলিং প্রয়োজন সেটিও বুঝতে পেরেছেন।যদি আমাদের তৈরি করা নতুন ওয়েবসাইট সম্পর্কে গুগলের কাছে কোনো তথ্য না থাকে, তবে গুগলের কাছে কোন প্রশ্ন আসলে সেই ভিজিটর আমার ওয়েবসাইট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবে না। এই জন্য যে ওয়েবসাইট আমি তৈরি করেছি ও তার সম্পর্কে গুগলকে বলেছি তাই গুগোল আমার ওয়েবসাইটে সে সমস্ত জিনিসকে পরীক্ষা করে দেখে।

   গুগোল ওয়েবসাইটকে পরীক্ষা করার সাথে সাথে এটিও চেক করে যে আমার ওয়েবসাইটটি কোন কোন শব্দের উপর তৈরি করে লেখা হয়েছে, বা তার লেখাগুলো কেমন এসব বিষয়কে। গুগোল ক্রলিং এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট এর সমস্ত বিষয়গুলি কে বুঝতে পারে। 

   এখন আসি অন্য একটি তথ্য আপনাদের জানানোর জন্য সম্প্রতি একটি সেমিনারে গুগল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে বর্তমানে গুগলের কাছে এরকম ওয়েবপেজ কতগুলি আছে তারা নিজেরাও সঠিক করে বলতে পারবে না কিন্তু আন্দাজমতো কমবেশি 130 ট্রিলিয়ন ওয়েবপেজ তাদের কনসোলের সঙ্গে যুক্ত আছে।

   এছাড়াও গুগল প্রায় প্রতিদিন কমবেশি 40 লক্ষ ওয়েব পেজকে ক্রলিং করে। তাহলে বুঝতে পারলেন যে গুগলের সার্ভার টি কত বৃহৎ যে এত সমস্ত তথ্য তার কাছে আছে খুব সহজেই ওয়েবসাইটগুলোকে সে পড়ে ফেলে নিজের কাছে সঞ্চিত করে রেখেছ।

   তাহলে কিভাবে গুগল কাজ করে সেটি বোঝার জন্য যে প্রথম ধাপ অমর সৃষ্টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানলাম এখন গুগল কিভাবে কাজ করে তার দ্বিতীয় ধাপ আমাদের জানতে হবে চলুন দেখে নিই - 


ইনডেক্সিং ( Indexing )

   যদি আপনি একজন প্রযুক্তির কর্মকর্তা না হন তবে এ শব্দটিও আপনার কাছে একদম নতুন। কিন্তু মনে রাখতে হবে যে এই ইনডেক্সিং ব্যাপারটির মাধ্যমে গুগোল এত সুন্দর কাজ করতে সক্ষম হয়। ইনডেক্সিং শব্দটিকে যদি আমরা একটু ভেঙ্গে বোঝার চেষ্টা করি তাহলে দাঁড়াবে কোন ডেক্স বা ধরুন বক্সের মধ্যে কিছু সঞ্চিত করে রাখা।

ইনডেক্সিং ( Indexing )
Kivabe.in/Google-indexing


   একটু আগে আমরা ক্রলিং বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছি। গুগল ওই কাজটি করার পর যেসব তথ্য সে গ্রহণ করে সেগুলিকে তার সার্ভারের নির্দিষ্ট জায়গা তে জমা রাখে একে বলা হয় ইনডেক্সিং

   ইনডেক্সিং এর কয়েকটি বিষয় আছে যেগুলি না বুঝলে আমাদের সমস্ত বিষয়টি বুঝতে একটু সমস্যা হবে। যেমন ধরুন গুগল যদি সমস্ত তথ্য কে পৃথিবীর সমস্ত ওয়েবসাইট এর সমস্ত তথ্য কে Crowling করে নিজের কাছে সার্ভারে রেখে দিত তবে সেগুলি উল্টোপাল্টা হত, একজনের তথ্য আর একজনের অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইটের বিষয় অন্য ওয়েবসাইটে সঙ্গে মিশে যেত।

   এই কারণে গুগোল খুব পরিষ্কারভাবে প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থানে সমস্ত ক্রলিং করা বিষয়গুলি রেখে দেয়। এর ফলে যখনই সেই বিষয়ে কেউ গুগলের কাছে জানতে চাই গুগোল তখন সেখান থেকে ওই বিষয় গুলি তুলে এনে দর্শককে দেখাতে পারে। 

   যেমন ধরুন আমার ওয়েবসাইট এর মধ্যে তিনটি ভাগ আছে একটি টেকনোলজি / প্রযুক্তি সম্পর্কিত একটি ব্লগ বা ওয়েব সাইট সম্পর্কিত আর অন্যটি ধরুন কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে হয় সেই সম্পর্কিত। এবার গুগোল যখন আমার ওয়েবসাইটটিকে ক্রলিং করবে তখন আমার ওয়েবসাইটে থাকা সমস্ত বিষয়গুলি কে আলাদা আলাদা করে রাখবে।

   এর ফলে যখনই ওই বিষয়ে কেউ গুগলে খুজবে তখনই গুগোল সেখান থেকে এই বিষয়টিকে দর্শকের সামনে তুলে ধরতে সক্ষম হবে। এবং একটু ভেবে দেখুন এই কাজটি অনেক দ্রুত করতে সক্ষম হবে। এই কারণে গুগোল খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের সামনে প্রচুর তথ্য এনে হাজির করতে পারে।

Read More

টুইটার থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করতে হয়।

   তাহলে ইনডেক্সিং ব্যাপারটি বুঝলাম যে গুগল বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সেখান থেকে তথ্যকে জেনে সেগুলিকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তার ডাইরেক্টরীতে জমা করে একে বলে গুগোল ইন্ডেক্সিং।গুগোল ইন্ডেক্সিং এর  মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট গুলি নিজের জায়গা বুঝতে পারে।

   ইনডেক্সিং ব্যাপারটি গুগোল নিজে থেকেই করে কিন্তু কখনো কখনো আমাদের নিজে থেকে এই গুলি তার সার্চ কনসোলে ইনডেক্সিং করাতে হয়। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর গুগল তার বট আমাদের ওয়েবসাইট গুলির উপর পাঠিয়ে নতুন নতুন বিভিন্ন তথ্য গুলি কে জানার চেষ্টা করে।এরপর তৃতীয়তঃ যে বিষয়টি গুগোল এর কাজ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেটি সম্পর্কে জেনে নেব।


রেঙ্কিং ( Ranking )

   শব্দটি শুনে আমরা বুঝে ফেলেছি যে রেংক / Rank অর্থাৎ পরপর হওয়ার বিষয়টি। এটি হয়তো খেয়াল করে থাকবেন আমরা যখন গুগলে কোন কিছু খুঁজি বা সার্চ করি তখন প্রথমদিকে কেউ অবস্থান করে এবং শেষের দিকে অবস্থান করে এটি হলো গুগোল রেংকিং। গুগোল রেংকিং এর ফলে কোন ওয়েবসাইট বা ওয়েব পেজ উপরের দিকে অবস্থান করে এবং কেউ নিচের দিকে অবস্থান করে।


google রেঙ্কিং ( Ranking )
Kivabe.in/Google-ranking

   একটু আগে আমরা যে ইনডেক্সিং ব্যাপারটি জেনেছি তার উপর নির্ভর করে গুগোল বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা ওয়েবপেইজের রেংকিং দিয়ে থাকে। এই রেংকিং এর ফলে গুগোল বিভিন্ন তথ্য যুক্ত ওয়েবসাইটগুলোকে কখনো প্রথমদিকে কখনো শেষের দিকে প্রয়োজন মত দেখায়। 

   গুগোল যখন আমাদের ওয়েবসাইট কে ক্রলিং করার পর ইনডেক্সিং করে তখন পরপর সাজিয়ে ফেলে যে যদি এই সম্পর্কিত কোন শব্দ যদি কেউ গুগোল এর কাছে খুঁজতে চাই তবে গুগোল তখন কোন ওয়েবসাইটের পেজগুলোকে প্রথমদিকে আনবে এবং কোন ওয়েবসাইটের পেজগুলোকে শেষের দিকে আনবে। এই ঘটনাকে বলা হয় গুগল রেংকিং।


রেংকিং কিভাবে হয় ?

   গুগল সার্চ ইঞ্জিনের বিভিন্ন ওয়েব সাইটগুলি রেংকিং হওয়ার বিভিন্ন পদ্ধতি আছে। কোন একটি নির্দিষ্ট কারণ এর উপর নির্ভর করে ওয়েবসাইটগুলি গুগলের কাছে Rank / রাঙ্ক করে না। যেমন - যে শব্দ বা যে প্রশ্ন আমরা গুগলের কাছে খুঁজতে চাই সেই সম্পর্কিত যতগুলি ওয়েবসাইট গুগলের ইনডেক্সে থাকে ততগুলি কে আমাদের সামনে হাজির করে।

   কিন্তু এই হাজির হওয়া কয়েকশো পেজ এর মধ্যে কোন নির্দিষ্ট পেজ গুলি কে গুগল প্রথমদিকে রাখে কারণ ওই প্রশ্নের উত্তর গুলি ঐসকল পেজে খুব সুন্দর ভাবে লেখা থাকে যেখানে মানুষ কয়েকবার প্রবেশ করে সুন্দর উত্তরগুলো পেয়েছে এবং তারা অনেকটা সময় ধরে সেই উত্তরগুলো পড়েছে।

   এই সকল কারণে গুগোল বুঝে ফেলে যে এই সকল ওয়েবসাইটের পেজগুলি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভাবে ওই প্রশ্নের উত্তর লেখা আছে, এই কারণে গুগোল এদেরকে প্রথমদিকে রাখার চিন্তা ভাবনা করে ও প্রথম দিকেই রাখে।

   যদিও গুগোল নিজে থেকে কখনো আজ পর্যন্ত স্বীকার করেনি যে কিভাবে এই রেংকিং গুলি করা হয় যদি তারা স্বীকার করত তাহলে আমাদের মত অনেক ব্লগার বা যারা ওয়েবসাইট তৈরি করে তারা খুব সহজেই গুগল সার্চ রেজাল্টের প্রথম দিকে অবস্থান করতে পারত।


মতামত ::   এবার হয়তো সমস্ত ওটা পরার পর মনে হতে পারে ব্যাপারটি অনেক সহজ কিন্তু আদতে কখনোই তেমন নয় সহজ করে বোঝানো হয়েছে মাত্র। গুগোল এর কাজ করার পদ্ধতি অনেক জটিল কারণ আমাদের মত অনেক মানুষের ওয়েবসাইটের সঙ্গে তাদের সার্চ ইঞ্জিনের কনসোল কে যুক্ত করা আছে।

   এই কনসলে যুক্ত থাকার কারণে আমাদের শত শত ওয়েবসাইটগুলি গুগলের ডাইরেক্টর সার্ভারে যুক্ত হয়ে আছে। এবং আমাদের ওয়েবসাইটের বিভিন্ন তথ্য তার জানা আছে। এবার যখনই কেউ কোন তথ্য জানতে চাই তখন গুগল নিজের পকেট থেকে সেটা কে বের করে দিতে পারে না। তাহলে প্রশ্ন হল কোথা থেকে এই সকল তথ্য আনে ? 

   এ প্রশ্নের উত্তর আশা করি এতক্ষণ আপনি পেয়ে গেছেন যে গুগোল তথ্যগুলি কোথা থেকে আনে। গুগোল তথ্যগুলি আমাদের মতো বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির করায় সুতরাং তথ্যগুলি গুগলের কোন ব্যক্তিগত তথ্য নয়। তথ্যগুলি গুগোল বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা ওয়েব পেজ থেকে তুলে নিয়ে এসে আমাদের সামনে দেখায়। কারন ঐ সকল পেজগুলি আমরাই গুগলের সার্চ কনসোলে সাবমিট করেছি যাতে গুগোল আমাদের দেশ গুলিকে তার রেজাল্টটা দেখাতে পারে।

READ MORE 

   আশাকরি এতক্ষণে আমরা বুঝতে পারলাম যে গুগোল কিভাবে কাজ করেগুগোল এর কাজ করার যে সকল পদ্ধতি গুলি আছে তার থেকে মোটামুটি কয়েকটি কে আমরা আলোচনা করেছি এছাড়াও কয়েকশো পদ্ধতির মাধ্যমে গুগল সার্চ ইঞ্জিন কে দিয়ে কাজ করায়। সুতরাং এতোটুকু আর্টিকেল এর মধ্যে তাকে আলোচনা করা সম্ভব নয়।

    যেটুকু আলোচনা করা সম্ভব তা এখানে করা হলো যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করতে ভুলবেন না এবং অন্য সকল বিষয় জানতে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করবেন। এই ধরনের বিভিন্ন তথ্য জানতে আমাদের ফেসবুক পেজ টি তে ফলো করে রাখতে পারেন।